আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিরিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরো বাড়ানো হবে বলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘোষণা দেয়ার পর তার নিন্দা জানিয়েছে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পার্সটুডে।

গতকাল (সোমবার) মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় সরাসরি বলেছে, সিরিয়ার জনগণের গত এক দশকের দুর্ভাগ্যের জন্য প্রধানত ইউরোপীয় ইউনিয়ন দায়ী। পাশাপাশি সিরিয়ার বিরুদ্ধে আরোপিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞাকে অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় দেশগুলো সন্ত্রাসবাদীদেরকে সমর্থন দিচ্ছে এবং সিরিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে। ফলে সিরিয়ার জনগণের এই ভোগান্তির জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন দায়ী। ইউরোপের এই জোট সিরিয়ার জনগণের পক্ষে কথা বলার কোনো অধিকার রাখে না এবং দেশটির জন্য ইতিবাচক কোনো ভূমিকা পালন করার অবস্থানেও নেই।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সিরিয়া বিষয়ে সম্মেলনের আয়োজন করেছিল যার মধ্যদিয়ে শত্রুদেরকে এককাতারে আনার ব্যবস্থা করেছে তারাই। ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সিরিয়ার জনগণের বিষয়ে কি ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে তা খুবই পরিষ্কার। ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বুঝতে হবে যে, সিরিয়ার জনগণই তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে, কোনো উপনিবেশবাদী শক্তি নয়।

রোববার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘোষণা করেছে, দামেস্ক সরকারের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আগামী মে মাসে আবারো বাড়ানো হবে।