মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মারা গেছেন। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ প্রবীণ রাজনীতিক।

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে আনা হবে তার মরদেহ। পরদিন শুক্রবার জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জের মানিকপুর গ্রামে বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে তাকে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার (২০ মার্চ) জাতীয় সংসদে তার জানাজার জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় জানাজা হবে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। সেখান থেকে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে শেষ জানাজা হবে। তারপর মা-বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

এর আগে ৯ মার্চ বিকেলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মওদুদ আহমদকে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়ার পর অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়। তখনও তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল।

রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস, বুকে ব্যথা অনুভব করলে গত ২৯ ডিসেম্বর মওদুদকে ঢাকায় এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ায় তার হৃদযন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানো হয়।

১৩ জানুয়ারি সিসিইউ থেকে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। ২০ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়া হয়। এরপর আবার ২১ জানুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি দেশ ছাড়েন।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ১৯৪০ সালের ২৪ মে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মাওলানা মমতাজ উদ্দিন আহমদ এবং মা বেগম আম্বিয়া খাতুন। ছয় ভাইবোনের মধ্যে মওদুদ আহমদ চতুর্থ।