প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ধর্মব্যবসায়ীদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, হেফাজত নেতার নৈতিক অবনমনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা তথ্যনির্ভর এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটন। সোমবার (৫ মার্চ) সকালে তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য ধর্মব্যবসায়ীদের আঁতে ঘা লেগেছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণ ভেবেছে এ লজ্জাজনক ঘটনার পর তথাকথিত নেতারা জনসম্মুখে ক্ষমা চাইবেন, কিন্তু দেখা যাচ্ছে চোরার মায়ের বড় গলা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এদেশ পীর আউলিয়া ও ওলামায়ে কেরামের দেশ। এখানে ধর্মকে অধর্ম চর্চার হাতিয়ারে পরিণত করতে খোদ ইসলামপ্রিয় জনগণই দেবে না। ‘তাদের একজন নেতার সোনারগাঁওয়ের একটি রিসোর্টে অনৈতিক ঘটনার পর তাদের ফোনালাপসহ অন্যান্য বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল এবং একজন সুন্দরী মহিলাকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে পরিচয় দেওয়া এখন আর গোপন নয়।’

তিনি বলেন, এসব অনৈতিক ঘটনার সমর্থনে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের যে তাণ্ডব লীলা চলছে, তাতে এ উগ্র-সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে। এ উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকিস্বরূপ এবং মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে টার্গেট করেই তারা তাদের পুরনো পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চায় বলে মনে করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে সরকার দেশব্যাপী আজ থেকে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন কার্যকর করতে শুরু করছে। সরকারের ১৮ দফা নির্দেশনাগুলো মেনে চলার জন্য দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানান তিনি।

সকলকে শতভাগ মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ জানান।