বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম ভরসা এবং বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের জন্মদিন আজ। বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার ৩৩ পার করে ৩৪ বছরে পা দিয়েছেন। ১৯৮৭ সালের এই দিনে মাগুরা জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

আইপিএলের প্রস্তুতি সারতে রোববার রাতে একাই দেশে ফিরেছেন সাকিব। তাই এবারের জন্মদিনে সাকিব পাশে পাচ্ছেন না স্ত্রী শিশিরকে। কোলে তুলে নিতে পারছেন না সদ্য ভূমিষ্ঠ ফুটফুটে ছেলেসহ দুই মেয়েকে।

অপরদিকে বিসিবি ও দুই পরিচালকের সঙ্গে তুমুল বিতর্কে লিপ্ত হয়েছেন। যা এখন দেশের ক্রীড়াঙ্গনে তোলপাড় চলছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে গত শনিবার লাইভে বিসিবি নিয়ে সাকিবের ‘বিস্ফোরক’ সব অভিযোগ নিয়ে রীতিমতো বৈঠকে বসেন বিসিবির কর্মকর্তারা। যে কারণে তার আইপিএল খেলা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। এমন সব বির্তকের মধ্যেই জন্মদিন পালন করবেন সাকিব।

কৃষি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা সাকিব আল হাসানের বাবার নাম মাশরুর রেজা। তিনি ছিলেন ফুটবল ভক্ত। খেলতেন জেলার বিভিন্ন লিগে। বাবার পছন্দের বিপরীতে ছেলে হলেন ক্রিকেটার। মাগুরা মাতিয়ে সাকিব বিকেএসপিতে এসে ভর্তি হন ৬ মাসের কোর্স করার জন্য। মাত্র ১৫ বছর বয়সে সুযোগ পান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলার। এছাড়া জাতীয় লিগে খেলার জন্য তালিকাভুক্ত হন খুলনা বিভাগীয় দলে।

২০০৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের ফাইনালে ৮৬ বলে সেঞ্চুরি করে ও ৩টি উইকেট নিয়ে দলকে জেতাতে সহায়তা করেন সাকিব। ২০০৬ সালের জিম্বাবুয়ে সফরে সাকিব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পান। ওয়ানডে অভিষেকের পরের বছরই ভারতের বিপক্ষে চট্টগ্রামে টেস্টে অভিষেক হয় সাকিবের।

২০০৯ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডে অলরাউন্ডার র্যাং কিংয়ের শীর্ষে উঠে আসেন সাকিব। টেস্টেও নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করে সেরা অলরাউন্ডারের আসন দখল করেন। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিন ফরম্যাটেই সেরা অলরাউন্ডার হন তিনি। যা ক্রিকেট বিশ্বে একমাত্র ও বিস্ময়কর ঘটনা।